আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
'এক আদেশে ৩২৭ এনজিওর ১০ হাজার কর্মী বেকার'
কালের কন্ঠের শিরোনাম 'এক আদেশে ৩২৭ এনজিওর ১০ হাজার কর্মী বেকার'।
এতে বলা হচ্ছে, সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও সহযোগিতা কার্যক্রম স্থগিত করেছে যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিষয়ক সংস্থা ইউএসএআইডি। গত ২৫ জানুয়ারি দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে এসংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত ২১ জানুয়ারি এ বিষয়ে একটি নির্বাহী আদেশ জারি করেন। এরপর বাংলাদেশে রোহিঙ্গা সহায়তা ছাড়া ইউএসএআইডির বাকি সব কার্যক্রম আপাতত তিন মাসের জন্য গুটিয়ে নেওয়া হয়েছে।
এতে বাংলাদেশের প্রায় ৩২৭ বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার (এনজিও) ১০ হাজার কর্মী বেকার হয়ে পড়েছেন। হঠাৎ চাকরি হারিয়ে বিপাকে পড়েছেন তারা। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পরিবেশসহ একাধিক সহায়তা কার্যক্রম ঝুঁকিতে।
এনজিও বিষয়ক ব্যুরো সূত্র জানায়, দেশের ২৭৪টি এনজিও বিভিন্ন দেশ থেকে তহবিল (ফান্ড) পেয়ে থাকে।
এর মধ্যে ইউএসএআইডির ফান্ড পেত ৮৭টি এনজিও। এসব ডোনার এজেন্সির (দাতা সংস্থা) মাধ্যমে দেশে প্রায় ২৪০টি এনজিওর প্রকল্প পরিচালিত হতো। সেই হিসাবে ৩২৭টি এনজিওর ইউএসএআইডির ফান্ড স্থগিত হয়েছে।
'জুলাই হত্যাকাণ্ডের আসামি: নেতা-কর্মীদের 'বিশেষ' তালিকা করছে পুলিশ' আজকের পত্রিকার শিরোনাম।
এতে বলা হচ্ছে, বিভিন্ন মামলার আসামি এবং গ্রেপ্তার হওয়া ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ এবং এর ভ্রাতৃপ্রতিম ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের একটি 'বিশেষ' তালিকা তৈরি করছে পুলিশ কর্তৃপক্ষ।
পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশে কাজটি করছেন জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও পুলিশের বিশেষ শাখার (ডিএসবি) সদস্যরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ মামলার পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার এবং গ্রেপ্তার আসামিদের জামিন আইনি প্রক্রিয়ায় ঠেকাতে কেন্দ্রীয়ভাবে এই তালিকা তৈরি করা হচ্ছে।
পুলিশের প্রক্রিয়াধীন তালিকায় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে হওয়া মামলা, জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর ও মোবাইল ফোনের নম্বর থাকছে।
তাদের জামিন প্রতিরোধে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে বিরোধিতা করার পরিকল্পনাও রয়েছে।
পুলিশ সদর দপ্তর, জেলা পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা ও পাবলিক প্রসিকিউটর সূত্রে এ তথ্য বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
'আইনশৃঙ্খলার এত অবনতি কেন' যুগান্তরের শিরোনাম। এতে বলা হচ্ছে, রাজধানীসহ সারা দেশে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের মতো অপরাধ। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির সূচক ক্রমেই ওপরে উঠে যাচ্ছে।
পাড়া-মহল্লার গলিপথ থেকে শুরু করে রাস্তাঘাট সর্বত্র এখন ছিনতাই আতঙ্ক ভর করেছে।
সন্ধ্যা নামলেই চারদিকে ছিনতাই-ডাকাতির আতঙ্কে সাধারণ মানুষ বাইরে বের হতে ভয় পায়।
খোদ রাজধানীতে শত শত মানুষের সামনে রামদা দিয়ে রিকশা আরোহীর ওপর সন্ত্রাসী হামলার মতো ঘটনা ঘটছে। এমনকি বাসের মধ্যেও কেউ এখন নিজেকে নিরাপদ ভাবতে পারছেন না।
ডাকাতি করে সর্বস্ব লুট করা ছাড়াও ধর্ষণের মতো পৈশাচিক ঘটনা ঘটছে। প্রতিদিনই সারা দেশে এ রকম অপরাধ চিত্র বাড়ছে।
তবে এত পুলিশ থাকার পরও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কেন এত অবনতি হচ্ছে-সেটি নিয়ে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ আর প্রশ্নের শেষ নেই।
বিশ্লেষকদের অনেকেই মনে করেন, পেশাদার পুলিশিং হচ্ছে না বলেই এমনটি হচ্ছে। বিশেষ করে পুলিশ বাহিনীতে ঘাপটি মেরে থাকা গণ-অভ্যুত্থানবিরোধী পুলিশ সদস্যদের গাফিলতির কারণে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যাচ্ছে না।
তাদের মতে, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের ১৫ বছরে এ বাহিনীতে নিয়োগের সময় একেবারে বেছে বেছে আওয়ামীপন্থিদের চাকরি দেওয়া হয়েছে। এ কারণে চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার ওপর সেসব দলীয় পুলিশ সদস্যের ভয়ঙ্কর রূপ দেশের মানুষ প্রত্যক্ষ করেছে।
এ কারণে পুলিশ বাহিনীর বর্তমান আইজিসহ পুলিশের একটি অংশ শত চেষ্টা করেও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারছেন না।
'আইসিইউ সেবা: বেসরকারিতে বাণিজ্য সরকারিতে নৈরাজ্য'। এটি সমকালের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, সরকারি হাসপাতালে শক্ত তদবির ছাড়া মিলছে না মুমূর্ষু রোগীর নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের (আইসিইউ) বরাদ্দ। কোনো কোনো ক্ষেত্রে লাগছে ঘুষও।
আর বেসরকারি হাসপাতালে এই সেবার নামে কাটা হচ্ছে রোগী ও স্বজনের পকেট। সমন্বয়হীনতার কারণে সরকারের কোনো উদ্যোগই কাজে আসছে না। উল্টো বেড়েছে আইসিইউতে নৈরাজ্য।
জনস্বাস্থ্য বিশ্লেষকরা বলছেন, এভাবে চলতে থাকলে পরিস্থিতি আরও বিপৎসংকুল হতে পারে। সরকারের উচিত এখনই আইসিইউর ব্যাপারে সুচিন্তিত পদক্ষেপ নেওয়া। বিশেষ করে অচল আইসিইউ সচল করার ব্যাপারে জোর দেওয়া উচিত।
এখন সারাদেশে আইসিইউর শয্যা আছে ১ হাজার ১৯৫টি। এর মধ্যে ৭৫ শতাংশই রাজধানী ঢাকায়। সবচেয়ে ভয়ংকর তথ্য হলো, ৩৪ জেলা শহরেই নেই জটিল রোগীর জন্য আইসিইউর ব্যবস্থা।
ফলে দেশের নানা প্রান্ত থেকে অনেক মুমূর্ষু রোগী ছোটেন রাজধানীর দিকে। শারীরিক পরিস্থিতি বেশ জটিল হলে অনেক রোগীর প্রাণ নিভে যায় পথেই। ঢাকামুখী রোগীর চাপ কমাতে করোনা মহামারিতে প্রতি জেলায় ১০ শয্যার আইসিইউ তৈরির উদ্যোগ নেয় সরকার।
পরে ২৭ জেলায় স্থাপনও করা হয় আইসিইউ ইউনিট। তবে এর মধ্যে ১৮টিই সচল করা যায়নি। প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়েছে গত ডিসেম্বরে।
'নতুন দলের শীর্ষ ছয়টি পদ নিয়ে 'সমঝোতা'' এটি প্রথম আলোর শিরোনাম।
জাতীয় নাগরিক কমিটি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উদ্যোগে আত্মপ্রকাশ করতে যাওয়া নতুন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ ছয়টি পদে কারা আসছেন, তা অনেকটাই চূড়ান্ত হয়েছে।
দলের সাংগঠনিক কাঠামোতে 'সমঝোতার' ভিত্তিতে নতুন দুটি পদও সৃষ্টি করা হচ্ছে। আহ্বায়ক, সদস্যসচিব, মুখপাত্র এবং মুখ্য সংগঠকের পাশাপাশি জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক ও জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব নামে দুটি পদ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সামনের সারিতে থাকা ছাত্রনেতারাই নতুন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ পদগুলোতে আসছেন।
এই দলের আহ্বায়ক পদে নাহিদ ইসলামের মনোনয়ন নিয়ে শুরু থেকেই জাতীয় নাগরিক কমিটি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের কারও কোনো আপত্তি ছিল না। সদস্যসচিব হিসেবে কে আসবেন, মূলত তা নিয়ে মতবিরোধ ছিল।
সমঝোতার ভিত্তিতে এই পদে আখতার হোসেনের নাম অনেকটাই চূড়ান্ত। তিনি এখন জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্যসচিব।
নতুন দলের আহ্বায়কের দায়িত্ব নিতে যেকোনো সময় অন্তর্বর্তী সরকার থেকে পদত্যাগ করতে পারেন উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম। দলের মুখ্য সংগঠক ও মুখপাত্র পদে দেখা যেতে পারে সারজিস আলম ও হাসনাত আবদুল্লাহকে।
অন্যদিকে জাতীয় নাগরিক কমিটিতে থাকা ছাত্রশিবিরের সাবেক নেতাদের সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতে জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক পদে আলী আহসান জোনায়েদের (শিবিরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি) নাম বিবেচনায় আছে।
আর দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব পদে আসতে পারেন জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখপাত্র নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম 'Ambitious revenue target in the works'. এই খবরে বলা হচ্ছে, সরকার এই অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে একটি উচ্চাভিলাষী রাজস্ব বৃদ্ধির লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।
কারণ, তিনটি প্রধান উন্নয়ন অংশীদার দেশীয় সম্পদের সংগ্রহ বাড়ানোর ওপর জোর দিচ্ছে।
২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য রাজস্ব সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা পাঁচ লাখ ১৮ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হতে পারে যা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের চার দশমিক সাত বিলিয়ন ঋণ কর্মসূচির অধীনে কর রাজস্ব সংগ্রহের জন্য নির্ধারিত।
চলতি অর্থবছরে মূল রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা পাঁচ লাখ ৪১ হাজার কোটি টাকা।
সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রার জন্য, রাজস্ব সংগ্রহ গত অর্থবছরের সংগ্রহের তুলনায় ২৬ শতাংশ বাড়াতে হবে। অর্থবছরের প্রথম চার মাসে রাজস্ব আদায়ের প্রবৃদ্ধি ছিল তিন দশমিক ৬৮ শতাংশ।
সংশোধিত রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) চার লাখ ৬৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকা আদায়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য, এনবিআরকে আগের অর্থবছরের প্রকৃত সংগ্রহ থেকে প্রায় ২৮ শতাংশ সংগ্রহ বাড়াতে হবে, যদিও প্রথম ছয় মাসে এর রাজস্ব সংগ্রহ ০.৯৮ শতাংশ কমেছে।
'রাশিয়ায় যোদ্ধা পাচারে ৬৭ চক্র' এটি দেশ রূপান্তরের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, জীবন ও জীবিকায় কিছুটা সচ্ছলতা ফেরানোর দুচোখ ভরা স্বপ্ন নিয়ে ইউরোপের দেশ সাইপ্রাসের উদ্দেশে বাংলাদেশ ছাড়েন জাফর।
কিন্তু দেশ ছাড়ার পর সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী দুবাই হয়ে কয়েক হাত বদলের পর ২০ লাখ টাকায় তাকে রাশিয়ার একটি মানব পাচার চক্রের কাছে বিক্রি করে দেয় দালালচক্র।
সেখানে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্য প্রশিক্ষণ নিতে বাধ্য করে রাশিয়ার সেনাবাহিনী। এতে রাজি না হলেই নেমে আসত ভাষায় অবর্ণনীয় নির্যাতনের খড়গ।
যশোর সদরের চাচরা ইউনিয়নের এই যুবক এখন প্রতিটি মুহূর্ত পার করছেন মৃত্যুভয়কে সঙ্গী করে।
স্থানীয় দালাল ও রাজধানী ঢাকার একটি মানব পাচার চক্রের ফাঁদে পড়ে নিজের জীবন তো বটেই, একই সঙ্গে তার পুরো পরিবারকে ফেলেছেন অনিশ্চিত এক ভবিষ্যতের দিকে।
যুদ্ধক্ষেত্র থেকে নিজের একটি ছবি তুলে পরিবারের কাছে পাঠিয়ে জীবন নিয়ে দেশে ফেরার আকুতি জানিয়েছেন জাফর। ছেলের এমন দুরবস্থার কথা জানতে পেরে দুশ্চিন্তায় ভেঙে পড়েছেন মা হাসিনা খাতুন।
তিনি দেশ রূপান্তরকে বলেন, 'আমার ছেলে রাশিয়া-ইউক্রেনে যুদ্ধ করবে কেন? সে তো কাজ করে জীবন বদলাতে গিয়েছিল। বিদেশে কেউ যুদ্ধ করতে যায় না, আমার ছেলেও যায়নি। আমরা গরিব মানুষ, কাজ করে অর্থ আয় করে জীবন চালাতে চাইছিলাম। কিন্তু এ কী হলো আমার সন্তানের সঙ্গে!'
'ছিনতাই, হত্যা, ধর্ষণ : চারদিকে উদ্বেগ, আতঙ্ক' এটি মানবজমিনের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, বেপরোয়া ছিনতাই। রীতিমতো আতঙ্ক তৈরি করেছে খোদ রাজধানীতে। সোশ্যাল মিডিয়া খুললেই দেখা যাচ্ছে ভীতিকর দৃশ্য।
ছিনতাইয়ের শিকার হওয়ার লোমহর্ষক ঘটনার বর্ণনা দিচ্ছেন ভুক্তভোগীরা। দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কোপানোর ভিডিও ভাইরাল হচ্ছে। চলন্ত বাসে ডাকাতি ও ধর্ষণের ঘটনা উদ্বেগে তৈরি করেছে নতুন মাত্রা। ঢাকায় খুন হয়েছেন চীনা নাগরিক।
সবমিলিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা তৈরি হয়েছে চারদিকে। কোথাও কোথাও দেখা যাচ্ছে অপরাধ দমাতে গেলে হামলার শিকার হচ্ছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে অপরাধীদের দমানো না গেলে অপরাধের মাত্রা আরও বেড়ে যেতে পারে। এই মুহূর্তে অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশের সক্রিয়তা জরুরি। কঠোর হতে হবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে।
পুলিশের উদ্ধার না হওয়া অস্ত্রগুলো বড় ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতার পাশাপাশি সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার কথাও বলেছেন কেউ কেউ।
'রাজধানীতে চাপাতি আতঙ্ক, নেপথ্যে কিশোর গ্যাং' ইত্তেফাকের শিরোনাম।
এতে বলা হচ্ছে, প্রায় এক দশক ধরে রাজধানীসহ সারা দেশে দাপিয়ে বেড়ানো কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের হাতে এখন উঠে এসেছে চাপাতি। পাড়া-মহল্লায় দিনে-দুপুরে চাপাতি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ছে ওরা।
পাঁই অগাস্ট সরকার পতনের পর রাজধানীর অলিগলি থেকে শুরু করে রাজপথ পর্যন্ত চাপাতি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।
এলাকার আধিপত্য বিস্তার থেকে শুরু করে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, এমনকি খুনোখুনির ঘটনাও ঘটছে এই চাপাতি বাহিনীর হাতে। এতে আতঙ্কিত রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন শহর-পাড়া-মহল্লার বাসিন্দারা।
পুলিশ সদর দপ্তর সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, সম্প্রতি এই কিশোর গ্যাংয়ে নতুন করে যুক্ত হয়েছে চাপাতি বাহিনী। সারা দেশেই তাণ্ডব চালাচ্ছে তারা।
রাত যত গভীর হয়, অলিগলিতে এদের চকচকে চাপাতির প্রদর্শন দেখা যায়। সঙ্গে চলে কিশোর গ্যাংয়ের দোর্দণ্ড প্রতাপ।
ভয়ে সাধারণ নাগরিকরা মুখ খুলছে না। দেশে ২৩৭টির মতো কিশোর গ্যাং গ্রুপ রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঢাকায় ১২৭টি। পুলিশের খাতায় এসব গ্রুপের সদস্য সংখ্যা দুই হাজার ৩৮২ জন।
'বৈষম্যমুক্ত সমাজের অঙ্গীকার' এটি নয়া দিগন্তের শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, অমর একুশে ফেব্রুয়ারিতে ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন সর্বস্তরের মানুষ।
মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার রাতের প্রথম প্রহর থেকেই কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মানুষের ঢল নামে।
ভোরের আলো ফোটার সাথে সাথে দলে দলে মানুষ ফুল নিয়ে শহীদ মিনারে আসেন। দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে তারা ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠন ও সব শ্রেণিপেশার মানুষ শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণে শামিল হন।
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্রথমে ফুল দিয়ে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টা ১০ মিনিটের ব্যবধানে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থেকে ভাষাশহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারপতিরা শ্রদ্ধা জানান।
এরপর একে একে বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্টদূত, কূটনীতিক ও হাইকমিশনাররা এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশনাররা শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
পর্যায়ক্রমে তিন বাহিনীর পক্ষ থেকে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর প্রধানরা।
'সমবায় মডেল : বৈশ্বিকভাবে সফল হলেও বাংলাদেশে চরম ব্যর্থতায়' বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম।
ঊনবিংশ শতকের শেষ দিকের কথা। দীর্ঘমেয়াদি ও সহনীয় সুদহারে ঋণের জন্য নির্ভরযোগ্য ও গ্রাহকবান্ধব আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অভাব বেশ ভালোভাবেই অনুধাবন করছিলেন ফ্রান্সের দরিদ্র কৃষকরা।
এমন পরিস্থিতিতে ১৮৯৪ সালে কৃষি সমবায়ভিত্তিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে যাত্রা করে ক্রেডিট অ্যাগ্রিকোল। পরে গোটা ফ্রান্সেই কৃষি সমবায়ভিত্তিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে কার্যক্রমের বিস্তৃতি ঘটে প্রতিষ্ঠানটির।
কাজের পরিধি ক্রমেই বাড়তে বাড়তে ১৯৭৬ সালে এটি হয়ে ওঠে পুরোদস্তুর এক ব্যাংকিং করপোরেশন।
বর্তমানে গোটা বিশ্বের সবচেয়ে বড় সমবায়ভিত্তিক করপোরেশনে রূপ নিয়েছে ক্রেডিট অ্যাগ্রিকোল।
ওয়ার্ল্ড কো-অপারেটিভ মনিটর ২০২৩-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিক টার্নওভারের পরিমাণ ছিল ১১৭ বিলিয়ন ডলারের বেশি।
ব্রাজিলের অর্থনীতির অন্যতম বড় শক্তি সমবায়।
জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রে কৃষি ও ক্ষুদ্র শিল্পের বিকাশে বড় ভূমিকা পালন করেছে সমবায় প্রতিষ্ঠানগুলো।
বাংলাদেশে সমবায়ভিত্তিক আর্থিক, বাজার বিপণন ও কৃষিপণ্য উৎপাদন প্রতিষ্ঠান গঠনের উদ্যোগ নেয়া হয় স্বাধীনতারও আগে। কিন্তু এখনো বাংলাদেশে সমবায়ভিত্তিক মডেলে সফলতার নিদর্শন খুব একটা তৈরি হয়নি। বরং এ ধরনের উদ্যোগ বড় হওয়ার জায়গাগুলো ক্রমেই সংকুচিত হয়ে এসেছে।
বর্তমানে বাজার বা ছোট কারবারভিত্তিক ছোট ছোট অনেক সমবায় থাকলেও এগুলোকে কাজে লাগিয়ে অর্থনৈতিক শক্তি ও ভিত্তি গঠনে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেয়া যায়নি।