'সাবেক আইজিপি বা সেনাপ্রধান দোষী হলে সরকার বাঁচাতে যাবে না'

সংবাদপত্র

সাবেক আইজিপি বা সেনাপ্রধান দোষী হলে সরকার বাঁচাতে যাবে না – আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্য নিয়ে প্রধান শিরোনাম দৈনিক সংবাদের। এতে বলা হয় আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিচার বিভাগ ও দুদক স্বাধীন। সেখানে কেউ দোষী সাব্যস্ত হলে আমরা তাকে প্রটেক্ট (রক্ষা) করতে যাব না, সে সাবেক আইজিপি বা সেনাপ্রধান হলেও।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিষয়টি দেখতে হবে, অপরাধী যত প্রভাবশালী হোক, প্রশ্ন থেকে যায় সরকার অপরাধের শাস্তি পাওয়ার ব্যাপারে সৎ সাহস দেখিয়েছে কিনা। শেখ হাসিনা সরকারের সে সৎ সাহস আছে।

কী আছে দুই পরাক্রমশালীর ভাগ্যে? বেনজীর আহমেদ ও সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদকে নিয়ে এই শিরোনাম মানবজমিনের। র‍্যাব ও পুলিশের সাবেক বস স্মার্ট, সুদর্শন বেনজীর আহমেদ। কথাও বলতেন সুন্দর। কিন্তু ‘বন্দুকের ভাষায়।’ বৃহস্পতিবার দিনটি সম্ভবত তার জন্য কিছুটা বিস্ময় নিয়েই এসেছে। যদিও খবরটি চাউর হয়েছে একটু দেরিতে। রাত ন’টার কিছু আগে বেসরকারি টিভি চ্যানেল-২৪ খবরটি ব্রেক করে। বিষয়টি এরইমধ্যে সবার জানা। বেনজীর আহমেদের সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। ফ্রিজ করতে বলা হয়েছে পরিবারের ব্যাংক অ্যাকাউন্টও।

এর আগে মঙ্গলবার সকাল হয়তো কাছাকাছি অনুভূতি নিয়েই হাজির হয় সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদের কাছে। ডনাল্ড লু’র সফরে একধরনের হৃদ্যতার আবহ তৈরি হয়। কিন্তু তা কেটে যায় দ্রুতই। যখন জানা যায়, আজিজ আহমেদ ও তার পরিবারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

এসব ব্যাপারে শুক্রবারও সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘অপরাধ করে কেউ পার পাবে না। বিচার বিভাগ স্বাধীন, দুদক স্বাধীন। সেখানে যদি অপরাধী হিসেবে সাব্যস্ত হয় কেউ, আমরা তাকে প্রোটেকশন দিতে যাব কেন? তিনি সাবেক আইজিপি হোন আর সাবেক সেনাপ্রধান হোন।’

এ নিয়ে যুগান্তরের শিরোনাম - জব্দের আওতায় আসতে পারে বেনজীরের আরও সম্পদ। পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ ও তার পরিবারের আরও সম্পদ জব্দের আওতায় আসছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুসন্ধানে নতুন করে তাদের আরও সম্পদের তথ্য সংগ্রহের পরে সেগুলোও জব্দের আওতায় আসবে। দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান এ তথ্য জানিয়ে বলেন, অনুসন্ধান মাত্র শুরু। আরও অনেক তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হবে।

এদিকে, সম্পদ ও ব্যাংক হিসাব জব্দের বিষয়ে বেনজীর আহমেদের ব্যাখ্যা রয়েছে। শিগগির তারা আদালতকে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা জানাবেন বলে যুগান্তরকে জানিয়েছেন তার আইনজীবী শাহ মনজুরুল হক। একই সঙ্গে এ আদেশ স্থগিতের আবেদন করবেন বলে জানান তিনি।

সংবাদপত্র
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর হিড়িক, মালিকরা টেনশনে নয়া দিগন্তের শিরোনাম। এতে বলা হয় বাংলাদেশসহ সোর্স কান্ট্রিভুক্ত ১৪টি দেশ থেকে পাড়ি জমানোর জন্য অপেক্ষমাণ শ্রমিকদের আগামী ৩১ মে’র পর আর মালয়েশিয়ায় ঢুকতে দেয়া হবে না। এমন ঘোষণার কারণে বাংলাদেশে অপেক্ষমাণ হাজার হাজার কর্মীকে মালয়েশিয়ায় পাঠানোর হিড়িক পড়েছে।

তবে শেষ পর্যন্ত কতজন শ্রমিক ডেডলাইনের মধ্যে দেশটিতে পৌঁছাতে পারবেন না, তা নিয়ে চলছে অনেক হিসাব-নিকাশ। এ দিকে শেষ পর্যন্ত মালয়েশিয়ার সরকার সময় আর না বাড়ালে সে ক্ষেত্রে ২০-৩০ হাজার শ্রমিকের ‘কপাল পুড়তে’ পারে বলে আশঙ্কা করছেন এই পেশার সাথে সম্পৃক্ত ব্যবসায়ীরা।

The Maldives suspends work visas for Bangladeshis – অর্থাৎ মালদ্বীপে বাংলাদেশীদের জন্য কাজের ভিসা বন্ধ করা হল, ডেইলি স্টারের খবর এটি। বলা হয় চার বছর বন্ধ থাকার পর দেশটির শ্রমবাজার খুলেই আবার এক মাসের মধ্যে সেটি বন্ধ করে দিলো মালদ্বীপ, দেশটি বাংলাদেশীদের আর নতুন করে কাজের ভিসা দেবে না বলে জানিয়েছে।

যদিও মালেতে অবস্থিত বাংলাদেশের দূতাবাস বলছে বিভিন্ন দেশকে নির্দিষ্ট সংখ্যা কোটা দিতেই মালদ্বীপ সরকারের এ সিদ্ধান্ত, কিন্তু মালদ্বীপের একটি গণমাধ্যমের খবর অবৈধ নিয়োগ প্রক্রিয়ার প্রেক্ষিতেই এই সিদ্ধান্ত নেয়া হল।

রোববার উপকূলে আঘাত হানতে পারে ‘রেমাল’ – ঘূর্ণিঝড় নিয়ে খবরটি যুগান্তরের। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এটি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। তখন এর নাম হবে ‘রেমাল’।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মো. আজিজুর রহমান শুক্রবার জানান, ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হলে রেমাল পটুয়াখালীর খেপুপাড়া ও সুন্দরবন এলাকায় আঘাত হানার শঙ্কা রয়েছে। রোববার সকালে ঘূর্ণিঝড়ের অগ্রভাগ দেশের উপকূলে আঘাত হানতে পারে। একইদিন সন্ধ্যায় ঘূর্ণিঝড়টি দেশের উপকূল অতিক্রম করতে পারে। তবে সবই গতির ওপর নির্ভর করবে। রেমাল নামটি ওমানের দেওয়া। এর অর্থ ‘বালু’।

সংবাদপত্র

সাংগঠনিক বিভাগে ফুটবল টুর্নামেন্ট করবে বিএনপি – কালবেলা অন্যতম শিরোনাম। তরুণ সমাজকে ‘দেশপ্রেম ও ক্রীড়াঙ্গনে’ উদ্বুদ্ধ করা এবং মাদক থেকে দূরে থাকার উদ্দেশ্য নিয়ে দেশের ১০টি সাংগঠনিক বিভাগে ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজন করবে বিএনপি। এর মাধ্যমে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি অরাজনৈতিক কর্মকাণ্ডেও যুক্ত থাকবেন দলটির নেতাকর্মীরা।

এই টুর্নামেন্টের নাম দেওয়া হয়েছে ‘আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৪’। মূলত বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর স্মৃতি রক্ষার্থে ব্যতিক্রমী এবং অরাজনৈতিক এই উদ্যোগ নিয়েছে বিএনপি।

আগামী ৭ জুন (সম্ভাব্য) বগুড়ায় রাজশাহী বিভাগের খেলা উদ্বোধনের মাধ্যমে টুর্নামেন্ট শুরু হবে। আগামী ১২ আগস্ট ঢাকায় হবে ফাইনাল পর্বের খেলা। ২৮ জুন চট্টগ্রাম বিভাগের খেলা অনুষ্ঠিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান। প্রসঙ্গত, ১২ আগস্ট কোকোর ৫৫তম জন্মবার্ষিকী।

জন্মসনদে জন্ম থেকেই পদে পদে যন্ত্রণা – সমকালের প্রধান শিরোনাম এটি। বিস্তারিত বলা হয়, জন্মনিবন্ধন সনদ নিয়ে নগরবাসীর কপাল থেকে দুঃখ যেন মোচন হবার নয়। কখনও সার্ভার থেকে সনদ গায়েব হয়ে যাচ্ছে, কখনও সংযুক্ত হচ্ছে না ওয়েবসাইটে। আবার কখনও সনদ পেলেও তা দিয়ে স্কুলে ভর্তি, পাসপোর্ট ইস্যু, ব্যাংক হিসাব খোলার মতো কোনো কাজই হচ্ছে না। তার ওপর রয়েছে এসব সনদ পেতে সীমাহীন ভোগান্তি।

বছরের পর বছর ধরে চলছে এ অবস্থা। নগরবাসীর ভোগান্তি এড়াতে উত্তর সিটি করপোরেশন ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয়ে নিবন্ধনের কাজ স্থানান্তর করলেও ভোগান্তির নিরসন হয়নি। দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে (ডিএসসিসি) পৃথক সার্ভারে নিবন্ধন কার্যক্রম পরিচালনা করায় নগরবাসীর ভোগান্তি আরও বেড়েছে। কোনো সংস্থাই তাদের ইস্যু করা জন্মসনদ গ্রহণ করছে না।

জন্মমৃত্যু নিবন্ধনের দায়িত্ব স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদের। কিন্তু এই কার্যক্রম সুশৃঙ্খলভাবে কখনোই পরিচালিত হয়নি। ২০০৭ সালে জন্মমৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু করে সরকার। জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে জন্মসনদ গ্রহণসহ প্রত্যেক নাগরিকের এটা থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়। শিশুর স্কুলে ভর্তি থেকে শুরু করে ১৯ ধরনের সেবা পেতে এই জন্মসনদের প্রয়োজন পড়ে।

সংবাদপত্র

স্বাস্থ্য বরাদ্দ কম ফেরত বেশি – দেশ রুপান্তরের প্রধান শিরোনাম। বলা হচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের স্বাস্থ্য বাজেট সবচেয়ে কম, জিডিপির শূন্য দশমিক ৭৬ শতাংশ মাত্র। এ বরাদ্দও ঠিকমতো খরচ করতে পারছে না স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। প্রতি বছর বরাদ্দের গড়ে ২৮ শতাংশ ফেরত যায়। ২০২২-২৩ অর্থবছরে ফেরত গেছে বরাদ্দের ৩৯ শতাংশ। সবচেয়ে বেশি ফেরত যাচ্ছে স্বাস্থ্যশিক্ষা ও পরিবারকল্যাণ বিভাগ থেকে, বছরে গড়ে ৩২ শতাংশ এবং সেবা বিভাগ থেকে, গড়ে ২৭ শতাংশ।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন অধিদপ্তর ও বিভাগের মধ্যে বরাদ্দের টাকা খরচে সবচেয়ে পিছিয়ে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, ন্যাশনাল ইলেকট্রো মেডিকেল ইকুইপমেন্ট মেইনটেন্যান্স ওয়ার্কশপ অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার ও জেলা হাসপাতালগুলো। এসব প্রতিষ্ঠানের ৩৪-৫৭ শতাংশ টাকা ফেরত যাচ্ছে। চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের মার্চ পর্যন্ত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির বা এডিপির বরাদ্দের অর্ধেকও খরচ করতে পারেনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। খরচ হয়েছে মোট বরাদ্দের মাত্র ৩১ শতাংশ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. সৈয়দ আবদুল হামিদ দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘স্বাস্থ্য খাত যদি যথাযথ গুরুত্ব পেত, তাহলে বরাদ্দে ও ব্যয়ে এমন পরিস্থিতি দাঁড়াত না। এর মানে, স্বাস্থ্য খাত গুরুত্ব পাচ্ছে না।’

Dengue surge in extreme weather raises eyebrows – নিউ এজের খবর। এতে বলা হয় চরমভাবাপন্ন আবহাওয়ার মধ্যেও ধারণার চেয়ে বেশি ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হওয়া দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে এবং একই সাথে দেশের মশক নিয়ন্ত্রণ পরিকল্পনাকে আবারও আলোচনায় আনছে।

এখন পর্যন্ত এ বছর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসেবে ডেঙ্গুরোগ নিয়ে হাসপাতালে এসেছে ২৭২৬ জন ও মারা গিয়েছেন ৩৩ জন। গত বছর এই একই সময়ে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হন ২০২৩ জন ও মারা যান ১৩ জন, ২০০০ সালের পর পরিসংখ্যানের দিক থেকে গত বছরই ছিল ডেঙ্গুর জন্য সবচেয়ে ভয়াবহ।

বিশেষ করে চরম তাপপ্রবাহ যেখানে মশা ও অন্যান্য কীট পতঙ্গদের গ্রীষ্মকালীন ঘুমে পাঠায় বলে মনে করা হয়, যাতে উৎপাদন ও সংক্রমণ অনেকটাই কমে আসে। কীটতত্ত্ববিদ, মহামারীবিশেষজ্ঞ ও প্রাণীবিদরা শঙ্কা প্রকাশ করছেন যে সরকার ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণের সুবর্ণ সুযোগ হারিয়েছে।

সংবাদপত্র

থাকছে না জিপিএ-গ্রেডিং মূল্যায়ন হবে ৭ পর্যায়ে – এসএসসি ও এইচএসসির নতুন শিক্ষাক্রম নিয়ে খবরটি ছেপেছে কালের কন্ঠ। বলা হচ্ছে নতুন শিক্ষাক্রমে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ (গ্রেড পয়েন্ট অ্যাভারেজ) বা অন্য কোনো গ্রেডিং থাকছে না। এমনকি ‘ত্রিভুজ’, ‘বৃত্ত’ বা ‘চতুর্ভুজ’ দিয়েও মূল্যায়ন করা হবে না। শুধু বিষয়ভিত্তিক পারফরম্যান্স ইনডিকেটর দেওয়া হবে। আর প্রত্যেক বিষয় মূল্যায়নে সাতটি পর্যায় বা স্কেল দেওয়া হবে।

তবে সব বিষয়ের স্কেল মিলিয়ে তা সমন্বিতভাবে প্রকাশ করা হবে না। এ ধরনের বিধান রেখে নতুন শিক্ষাক্রমের মূল্যায়ন রূপরেখা ঠিক করেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। সূত্র জানায়, নতুন শিক্ষাক্রমের মূল্যায়নে কোনো নম্বর থাকবে না। মূল্যায়ন হবে সাতটি পর্যায়ে।

মূল্যায়নের এ পর্যায়গুলো হচ্ছে অনন্য, অর্জনমুখী, অগ্রগামী, সক্রিয়, অনুসন্ধানী, বিকাশমান ও প্রারম্ভিক। সবচেয়ে যে ভালো করবে সে ‘অনন্য’ পাবে। এভাবে অন্য পর্যায়গুলো দিয়ে মূল্যায়ন করা হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, নতুন শিক্ষাক্রমে এসএসসি বা এইচএসসির মূল্যায়ন পদ্ধতি এই মাসের মধ্যেই চূড়ান্ত হতে পারে। ফেব্রুয়ারির বদলে ডিসেম্বরে এসএসসি পরীক্ষার প্রস্তাব করা হয়েছে।

কাঙ্খিত মাত্রায় উৎপাদন বাড়ছে না চালের – বণিক বার্তার শিরোনাম এটি। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিতে ২০৩০ সালের মধ্যে দেশে চালের উৎপাদনশীলতা দ্বিগুণে (২০১৫ সালের তুলনায়) নেয়ার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের। এজন্য নানা পরিকল্পনা ও উদ্যোগ নেয়া হলেও উৎপাদন বাড়ানো যাচ্ছে না কাঙ্ক্ষিত মাত্রায়। বরং দেশে চালের উৎপাদন প্রবৃদ্ধির হার এখন নেমে এসেছে বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারের নিচে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ‘স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিস্টিকস-২০২৩’-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে দেশে বার্ষিক জনসংখ্যা স্বাভাবিক বৃদ্ধির হার (আরএনআই) ছিল ১ দশমিক ৩৩ শতাংশ, যা আগের বছরে ছিল ১ দশমিক ৪ শতাংশ। এছাড়া আন্তঃশুমারি গড় জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১ দশমিক ১২ শতাংশ। আর কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্য বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, গত তিন অর্থবছরে দেশে চালের উৎপাদন প্রবৃদ্ধির হার ছিল ১ শতাংশের নিচে। চালের উৎপাদন প্রবৃদ্ধি এ মাত্রায় শ্লথ হয়ে আসার পেছনে বিশেষজ্ঞরা দায়ী করছেন আবাদি জমি হ্রাস ও কৃষিতে নতুন জনশক্তি যুক্ত না হওয়াকে।

অন্যান্য খবর

পুলিশের গাড়িরই ফিটনেস নেই – আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ ঢাকায় অবৈধ ও ফিটনেসবিহীন গাড়ির বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় অভিযানে যানে। ফিটনেস না থাকায় নাগরিকদের গাড়ি ডাম্পিংয়ে পাঠানোসহ জরিমানা করে ট্রাফিক পুলিশ। তবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে ওই সব অভিযানে পুলিশ নিজেই ব্যবহার করে ফিটনেস বিহীন যানবাহন।

ডিএমপি ২০-৩০ বছরের পুরনো ছয়টি রেকার এখনো ব্যবহার করে। এমনকি আসামি বহন করার প্রিজনার্স ভ্যানসহ জরুরি কাজে ব্যবহৃত ৩৯৬টি ফোর হুইলারের ফিটনেস নেই।